বাসা বদল - 01741-820373
বাসা অফিস বদলের A to Z জানতে 👇
বছরের এই সময়টায় দেখা যায় বাসা বদলের চিত্র। সন্তানের স্কুল কিংবা বাড়তি ভাড়ার কারণে বাসা বদল করতে হয়। ঘরের প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্যাকেট করা থেকে শুরু করে জিনিসপত্র বহন করার ঝক্কি তখন মাথায়। বাসা বদলকে আতঙ্ক না ভেবে যেভাবে সহজ উপায়ে সব গুছিয়ে নেওয়া যায় তা নিয়ে প্রতিবেদন...
রহিম সাহেব চাকরি করেন একটি বেসরকারি অফিসে। পরিবারসহ থাকেন মতিঝিলে। নতুন বছরে তার মেয়ের নতুন স্কুলের ঠিকানা মগবাজার। রহিম সাহেবের কপালে চিন্তার ভাঁজ। কারণ মগবাজারে বাসা নিতে হবে। ভাড়া বাসা পাওয়ার চেয়েও তার বড় চিন্তা বাসার আসবাবপত্র নতুন বাসায় ওঠানো নিয়ে। এই গল্প এ শহরের প্রায় প্রতিটি ভাড়াটিয়ারই। মাসের শেষে বা প্রথম সপ্তাহে বালিশ-তোশক, হাঁড়ি-পাতিলের লটবহর নিয়ে শহরের পথে ঠেলাগাড়ি বা ট্রাক চলতে থাকার দৃশ্যটি খুবই চেনা। ঢাকা শহরের বাসিন্দাদের বেশিরভাগই থাকেন ভাড়া বাড়িতে। চাকরি বা ব্যক্তিগত কারণে বাসা বদলও ভাড়াটিয়া জীবনযাপনের নিয়মিত অনুষঙ্গ। বাসা বদলানো মানেই হরেক রকমের ঝক্কি-ঝামেলা। এ থেকে মুক্তিতে বাসা বদলের সুবিধা দিতে ঢাকা শহরে কাজ করছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। শুধু ফোনে বা অনলাইনে ফরমাশ দিলেই চলবে।
প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব লোকবল নিয়ে হাজির হয়ে যাবে।
সম্প্রতি এমন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাসা বদল করা জাহিদ হাসান বলেন, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে তিনি চাকরি করেন। থাকতেন তেজগাঁও এলাকায়। ব্যক্তিগত কারণে তিনি ধানমন্ডিতে বাসা বদলের সিদ্ধান্ত নেন। খোঁজাখুঁজি করে পছন্দমতো একটি বাসাও পান। পরে বাসা বদলের দায়িত্ব দেন একটি বাসা বদলকারী প্রতিষ্ঠানকে। তারাই বাসার মালপত্র গোছানো, নতুন বাসায় নিয়ে যাওয়া, ইলেকট্রিক সামগ্রী লাগিয়ে দেওয়াসহ সব কাজ করেছে। এতে তার ২০-২৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে।
রাজধানীতে অনেক দিন ধরে বাসা বদলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সেফ মুভার্স বিডি (safe movers bd) বাসা বদলের পাশাপাশি অফিস বদল বা স্থানান্তরের কাজও তারা করে। কী পরিমাণ মালপত্র সরাতে হবে, সেই অনুযায়ী খরচ নির্ধারণ করা হয়। বাসা বদলের সময় কোনো মালের ক্ষতি হলে কিংবা কোনো কিছু হারিয়ে গেলে বাজারমূল্য অনুযায়ী তার ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ( বাসা বদল) (Basha bodol), প্যাক অ্যান্ড মোভ (pack n move)
সহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বাসা (https://safemoversbd.com) বদলের দরকারি কাজগুলো করে থাকে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, তাদের অনেকেরই নিজস্ব পরিবহন ও দক্ষ শ্রমিক, ইলেকট্রিশিয়ান, এসি মিস্ত্রি, থাই মিস্ত্রি, স্যানিটারি মিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি, পেইন্টারসহ বিভিন্ন দক্ষ লোকবল আছে। তারা কাচের মাল বা ক্রোকারিজ ও শৌখিন অ্যান্টিক জাতীয় মূল্যবান সামগ্রী যত্নের সঙ্গে খুলে মোড়ক করে আবার নতুন বাসায় লাগিয়ে দেয়। এ ছাড়া নতুন বাসায় নতুন শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, টিভি, ফ্যান, লাইট, খাট, গিজার, চুলা লাগিয়ে দেওয়া হয়। এভাবে বাসা বদল করতে কত খরচ হবে, তা নির্ধারণ করে বাসা বা অফিসের আকার, পথের দূরত্ব, মালের পরিমাণ, কত তলা থেকে নামবে আর কত তলায় উঠবে-এসব বিষয়ের ওপর।
বাসা যে শুধু বড় কিংবা ছোট পরিবারগুলোই বদলিয়ে থাকে এমনটা নয়। ব্যাচেলরদেরও বাসা বদলাতে হয় এবং তাদের জন্য শিফটিং সার্ভিসটি অনেক যন্ত্রণার। কেননা, স্বাভাবিকের তুলনায় ঘরে কম আসবাব থাকায় তা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিতে প্রয়োজনীয় লোকবল কিংবা সার্ভিস পাওয়া একটু কষ্টকর হয়ে যায়। আমাদের দেশে শিফটিং সার্ভিসের জন্য সাধারণত শহরের মানুষ এক কিংবা একাধিক ট্রাক ভাড়া করে কিছু লোকজন দিয়ে নিজেদের আসবাবপত্র এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে থাকে। তবে বেশিরভাগ সময়ই এই সার্ভিসটির থাকে না কোনো নিরাপত্তা গ্যারান্টি। যেমন- মাল ওঠানামা করার সময় শিফটিংয়ে নিয়োজিত ব্যক্তির অসাবধানতার কারণে হঠাৎ কোনো মহামূল্যবান জিনিসের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
অদক্ষ জনবল দিয়ে শিফটিং সার্ভিস নিতে গেলে অনেক সময় ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রপাতির বিশাল অঙ্কের ক্ষতিও হয়ে থাকে। আবার এই মালপত্র বদলের মাঝেই হাতবদল অর্থাৎ চুরি হয়ে যেতে পারে আপনার মূল্যবান কোনো কিছু।
আবার অনেক সময় শিফটিং সার্ভিস নিলেও শিফটিংয়ের জন্য রাখা মালপত্র গুছিয়ে দিতে হয় নিজেদের। পুরোনো বাসায় মাল একবার গুছিয়ে নতুন বাসায় গিয়ে সেগুলো পুনরায় প্যাকেট থেকে খুলে আবার ঘরের নির্দিষ্ট জায়গায় বসানো এক প্রবল ঝামেলাযুক্ত কাজ। এসব ঝামেলার জন্য বাড়ি বদল কিংবা শিফটিং সার্ভিসের চাহিদা বেড়েছে সময়ের সঙ্গে। আর এই শিফটিং সার্ভিসের অভাব দূর করতেই এগিয়ে এসেছে দেশের বৃহত্তম অনলাইন সার্ভিস মার্কেট, ( https://safemoversbd.com)
এখন আপনি বাড়িতে বসেই শুধু অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমেই আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী প্রফেশনাল শিফটিং সার্ভিস খুঁজে নিতে পারবেন। আপনার পরিবার বড় হোক কিংবা ছোট, আপনি বিবাহিত হন বা ব্যাচেলর- এগুলো আর কোনো সমস্যাই নয়।
আপনার মালপত্র যে ধরনেরই হোক না কেন, তা এক বাসা থেকে আরেক বাসায় নিয়ে যাওয়ার সব ব্যবস্থা করে দেবে ( safe movers bd) প্ল্যাটফর্মে থাকা দক্ষ সার্ভিস প্রোভাইডাররা।
সঙ্গে তারা দিচ্ছে নিরাপত্তার গ্যারান্টি। এ ছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে ড্যামেজ কভারেজ ব্যবস্থা।
সেবা ডট এক্সওয়াইজেডের একজন উদ্যোক্তা আরশাদ। সার্ভিস প্ল্যাটফর্মে বাসা এবং অফিস বদলের কাজটি যুক্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করে আরশাদ বলেন, 'সেবাতে হোম শিফটিং সার্ভিসটি প্রথমে ছিল। মাঝে কিছুদিন বন্ধ থাকে। পরে তাদের অনুপ্রেরণায় শিফটিংয়ের সার্ভিসটি চালু করতে আবারও উদ্যোগী হই। এর মাধ্যমেই 'প্যাক এন মুভ'-এর যাত্রা। আমরা হোম শিফটিংয়ের পাশাপাশি প্যাকিংয়ের সেবাও দিয়ে থাকি।'
বর্তমানে প্যাক এন মুভের সঙ্গে যুক্ত আছেন ৭২ কর্মী, যাদের কাজের তদারকি করেন ছয় সুপারভাইজার। একটি অর্ডারে পাঁচ থেকে ছয়জন কাজ করেন। মাসে সেবার মাধ্যমে ত্রিশ থেকে চল্লিশটি কাজ হয়। মাসে তিন থেকে চার লাখ টাকার লেনদেন হয় প্রতিষ্ঠানটিতে। 'আমরা আমাদের সেবার মধ্যে নতুন কিছু নিয়ে আসছি। যেমন বেল্ট সিস্টেম। ফলে একজন কর্মীর মাল পরিবহনে কষ্ট কম হবে'- যোগ করেন আরশাদ। তাই চিন্তা না করে ঝক্কি-ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে আপনার বাসা বদলের ভারটা দিয়ে দিতে পারেন অনলাইন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে।
নিয়ম মেনে কাজ করলে অবশ্য কিছুটা হলেও ঝামেলা কম মনে হবে। তেমনই কিছু টিপস, যা আপনার বাসা পরিবর্তনের সময় কাজে লাগতে পারে :আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে রাখতে পারেন, যাতে তালিকা দেখে সব ঠিকমতো পেয়েছেন কি-না সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেন। সময় নিয়ে একটি তালিকা ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করুন। এতে দরকারি সব কিছু লিখে রাখুন। সংবাদপত্রের বিল থেকে শুরু করে সবকিছু এতে রাখতে পারেন। কোনো কিছু মনে রাখার চেয়ে লিখে রাখা সহজ ও কার্যকর। এ ধরনের তালিকা আপনাকে দিতে পারে নিজের কাজ ও দায়িত্ব সম্পর্কে দারুণ আত্মবিশ্বাস। এখনি বুকিং করুন ঃ
https://safemoversbd.com
- online in Dhaka Bangladesh.
📞 01741-820373,01720-352266,





Comments
Post a Comment